শারীরিক ক্ষতি করার ‘শক্তি হারাচ্ছে’ করোনা ভাইরাস!

আক্রান্ত হলেও এদের অধিকাংশই বুঝতে পারেননি যে তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। শনিবার (৩০ মে) রাতে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফেসবুক লাইভে এ কথা বলেন করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যের র‌্যাপিড টেস্ট কিট আবিষ্কারক দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল। তিনি বলেন, ‘আমার অবজারভেশন যেটা- অনেক মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে গেছেন। তারা নিজেরাও জানেন না। আমার ধারণা ৩০-৪০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেছেন, তারা হয়তো জানেনই না। হয়তো তাদের একটু জ্বর হয়েছে, কাশি হয়েছে, দুর্বলতা অনুভব করেছে।

আক্রান্ত হলেও এদের অধিকাংশই বুঝতে পারেননি যে তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। শনিবার (৩০ মে) রাতে একটি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফেসবুক লাইভে এ কথা বলেন করোনা পরীক্ষায় গণস্বাস্থ্যের র‌্যাপিড টেস্ট কিট আবিষ্কারক দলের প্রধান ড. বিজন কুমার শীল। তিনি বলেন, ‘আমার অবজারভেশন যেটা- অনেক মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়ে গেছেন। তারা নিজেরাও জানেন না। আমার ধারণা ৩০-৪০ শতাংশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেছেন, তারা হয়তো জানেনই না। হয়তো তাদের একটু জ্বর হয়েছে, কাশি হয়েছে, দুর্বলতা অনুভব করেছে।

বিজন কুমার শীল বলেন, করোনা কাউকে ছাড়বে না। আপনি যতই লুকিয়ে থাকেন করোনা আপনাকে, আমাকে আক্রান্ত করবে। ইউরোপের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। ইউরোপে যখন করোনা আক্রান্ত করে তখন তাপমাত্রা কম ছিল এবং বাতাস চলাচলও কম ছিল।

ইতালির শীর্ষস্থানীয় এক চিকিৎসক দাবি করেছেন, নতুন করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) দিনে দিনে শারীরিক ক্ষতি করার শক্তি হারাচ্ছে। মিলান শহরের সান রাফায়েল হাসপাতালের প্রধান চিকিৎসক আলবার্তো জাংরিলো বলছেন, ‘বাস্তবতা হল ইতালিতে ভাইরাসটি ক্লিনিক্যালি আর নেই। এক অথবা দুই মাস আগে যে অবস্থা ছিল গত দশদিনে তা পরিমাণগত বিবেচনায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পর্যায়ে চলে এসেছে।’

প্রক্রিয়াধীন থাকা ‘বৈজ্ঞানিক প্রমাণের’ কথা উল্লেখ করে জাংরিলো বলছেন, ‘ভাইরাসটি ইতালি থেকে চলে গেছে। যারা ইতালিয়ানদের দোটানায় ফেলছেন তাদের আমি এটি না করতে আহ্বান জানাতে চাই।’

ইতালির আরও একজন ডাক্তার ভাইরাসটির দুর্বল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। এএনএসএ নিউজ এজেন্সিকে মাত্তিও বাসেটি নামের ওই চিকিৎসক বলেন, ‘দুই মাস আগে ভাইরাসের যে শক্তি ছিল এখন আর সেটি নেই।’ তার দাবি, কভিড-১৯ এখন পরিষ্কারভাবে ভিন্ন রোগ!

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইতালিতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৯৭ জন আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ৩৩ হাজার ৪১৫ জন মারা গেছেন।

Top Related Post

হতাশ হবেন না। এখন ঘরে বসে অনলাইনে খুব সহজে আয় করতে পারেন। সরাসরি ভিডিও দেখে কাজ শিখুন-

Be the first to comment

Leave a Reply